কেন্দ্র ও অন্যান্য রাজ্যের চেয়ে রাজ্যের ডিএ এর ফারাক বেড়েই চলেছে। চার বছর দেরি করে চালু হলো পে কমিশন, যদিও কোনো বকেয়া পাবেন না।তার মধ্যে বকেয়া ডিএ মামলায় জয়লাভ করেও বকেয়া পাচ্ছেন না সরকারী কর্মী ও শিক্ষকেরা। এদিকে কলেজ শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এরিয়ার মেটাতে হবে। সেই ক্ষোভে রাজপথেও নেমেছে বিরোধী শিক্ষক সংগঠনগুলি। রবিবার তৃণমূলের অধ্যাপক সংগঠনের বৈঠকে তাই সভানেত্রী কৃষ্ণকলি বসু শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেন, ‘যদি সম্ভব হয় এরিয়ার মিটিয়ে দিন।
FB IMG 1577071040357
আমরা লিখিত ভাবেও আপনাকে জানাব।’ কিন্তু এখনই এরিয়ার দেওয়া সম্ভব নয় বলে পার্থ সাফ জানিয়ে দেন। তিনি বলেন, ‘শুধু তো আপনারা নন, আপনাদের বকেয়া মেটাতে গেলে সরকারি কর্মচারী, অতিথি অধ্যাপক, এসএসকে, এমএসকে সবারই বকেয়া টাকা মেটাতে হবে। তার জন্য সরকারের ১৮০০ কোটি টাকা প্রয়োজন। এই টাকা এখনই জোগার করা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।’ অবশ্য এর বদলে চাকরির মেয়াদ ৬০ থেকে বাড়িয়ে ৬৫ করা, বেতন কাঠামোর পরিবর্তন করা এবং স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় শিক্ষকদের আনা হয়েছে বলে পার্থ জানান। তিনি বলেন, ‘না চাইতেই তো অনেকটা করে দেওয়া হয়েছে। আপনারা কি জানেন কেন্দ্রীয় সরকার কোনও টাকাই দিচ্ছে না। তার মধ্যেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আপনাদের জন্য সব সময় উদ্যোগী। না চাইতেই সব দিয়ে দিচ্ছেন।’
শিক্ষামন্ত্রীর এই বক্তব্য সমস্ত সরকারী কর্মী, স্থায়ী শিক্ষক, সর্বশিক্ষা এর শিক্ষক সকলের যে বকেয়া রয়েছে তা এখই পাও যাবে না বলেই বোঝা গেল।

Leave a Reply

Your email address will not be published.