High Court Big News

High Court: সরকার পক্ষের কি বক্তব্য? জেনে নিন

টানা কয়েকদিনের গরম থেকে পড়ুয়াদের সুস্থ রাখতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে স্কুলগুলিতে দেওয়া হয়েছিল ছুটির নির্দেশ (High Court)। দ্বিতীয় দফার ছুটি বাড়ানোর পর, সেটির বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হয়। সোমবার শুনানিতে আরো কতদিন গরমের ছুটি বাড়ানো হবে? সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হয়।

আরও দেখুনঃ প্রাথমিক টেট দিয়ে চাকরী পাওয়া 42 হাজার শিক্ষকের নতুন করে ভেরিফিকেশনের নির্দেশ, কি কি ডকুমেন্ট লাগবে?

প্রসঙ্গত, প্রথম দফায় স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি হিসেবে ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটির নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সম্প্রতি নতুন নির্দেশের ভিত্তিতে সেই মেয়াদ আরও ১১ দিন বাড়ানো হয়েছে। ছুটি বৃদ্ধি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির প্রকাশি বাস্তব এবং বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ মামলাটি ওঠে।

মামলাকারীর কি বক্তব্য?
প্রথম নির্দেশে ৪৫ দিনের গরমের ছুটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। পড়ে তা আবার ১১ দিন ছুটি বাড়ানো হল কেন, সেই নিয়ে আরো প্রশ্ন ওঠে।   ছুটি বৃদ্ধির বিরোধিতাও করেন শিক্ষক থেকে অভিভাবকদের একাংশ। মামলাকারীদের দাবি, গরম সেরকম পরিমানে নেই, তবুও সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে গরমের ছুটি চলছে (High Court)। এমনিতেই অতিমারীর আবহে পড়াশোনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কার সাথে গরমের ছুটি বাড়ায় সেই সম্ভাবনা আরও বাড়বে।

যদিও সরকার পক্ষের বক্তব্য, বিভিন্ন জেলায় গরমের দাপট দেখেই ছুটি দেওয়া হয়েছিল। রাজ্য স্কুল-কলেজ ছুটি থাকলেও ইতিমধ্যেই কলকাতা অনেক বেসরকারি স্কুল শুরু হয়ে গিয়েছে (High Court)। দ্বিতীয় দফার ছুটি বৃদ্ধির বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার শুনানিতে সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট এর তরফ থেকে সরকার পক্ষের উদ্দেশে প্রশ্ন করা হয় গরমের ছুটি আরো বাড়ানো হবে কিনা?

সরকারি কৌঁসুলি সম্রাট সেন জানান, সবই নির্ভর করছে আবহাওয়ার মতিগতির উপরে। রাজ্যের স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি বৃদ্ধি সংক্রান্ত মামলার শুনানির এদিন শেষদিন হলেও হাই কোর্টের দায়িত্বভার সামলানো বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ রায়দান স্থগিত রেখেছে (High Court)। উত্তরবঙ্গে বর্ষা পৌঁছে গিয়েছিল জুনের গোড়াতেই। দক্ষিণে বেশ কয়েক দিন দেরি হলেও মৌসুমি বায়ু গত শনিবার হাজির হয়েছে গাঙ্গেয় বঙ্গে।

রাজ্য সরকারের তরফে আবহাওয়ার মতিগতির উপরে ভিত্তি করে ছুটি দেওয়ার কথা বলা হলেও জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহে রাজ্যের কোনও জেলায় তীব্র গরমের কোনও সতর্কবার্তা দেয়নি আবহাওয়া দফতর। বরং আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, পুরো দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা ছড়িয়ে পড়েছে। অর্থাৎ রাজ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে মৌসুমি বায়ু (High Court)। তাই গরম কমেছে অনেকটাই। এখনও কেন স্কুল বন্ধ রাখা হচ্ছে? প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

আরও পড়ুনঃ রাজ্যের বিভিন্ন পদে ২৭ হাজার কর্মী নিয়োগ, যেকোন যোগ্যতায় করা যাবে আবেদন

এ প্রসঙ্গে আপনাদের কোন মতামত থাকলে তা ওয়েবসাইটের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে পারেন। এই সংক্রান্ত অন্যান্য খবরের আপডেট সবার আগে পেতে হলে এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Written by Manika Basak

Leave a Reply

Your email address will not be published.