Primary TET Case

Primary TET Case: এবার প্রাইমারি শিক্ষক বরখাস্ত নয়, চটপট জেনে নিন কি করতে হবে?

এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতিতে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছে ২৬৯ জন শিক্ষককে (Primary TET Case)। ২০১৪ সালে প্রাইমারি টেট পরীক্ষার নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১৫ সালের ১১ অক্টোবর নেওয়া হয়েছিল পরীক্ষা। ২০১৭ সালের ৪ ডিসেম্বরের প্রকাশিত দ্বিতীয় লিস্টের মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়েছিল ২৬৯ জনকে। প্রায় ২৩ লক্ষ চাকরিপ্রার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। যার মধ্যে ৪২ হাজার প্রার্থীকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপত্র দেওয়া হয়। তবে বিজ্ঞপ্তির মাত্র ১০ টি প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পারলে যাবে না চাকরি।

আরও দেখুনঃ শিক্ষক নিয়োগের বড়ো খবর, নতুনভাবে শিক্ষক নিয়োগ করতে চলেছে রাজ্য সরকার, BIG NEWS 2022

প্রসঙ্গত, আদালতে পর্ষদের পেশ করা নথিপত্রে সন্দেহ প্রকাশ করেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। তাই নথিপত্র খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয় CFSL কে। নির্দেশ দেওয়া হয় নথিপত্রের কালি এবং সইগুলি কবেকার তা খতিয়ে দেখার জন্য। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, প্রায় সাড়ে ১৭ হাজার শিক্ষকই সঠিকভাবে চাকরি পাননি (Primary TET Case)। তবে কি ২৬৯ জন নয়, বরখাস্তের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে? এমন প্রশ্নই ভাবাচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

২০১৪ সালের প্রাথমিক টেটে উত্তীর্ণ হয়েছেন, সকল শিক্ষক-শিক্ষিকা যারা চাকরিতে যোগদান করেছেন, তাদের সকল অরিজিনাল ডকুমেন্টসসহ এই সংক্রান্ত রেকর্ড ও ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে আদালত। প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের তরফে সব জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদের চেয়ারম্যানদের চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে এই নির্দেশ (Primary TET Case)। আদালতের নির্দেশ মতো সোমবার থেকেই শুরু হয়েছে নথিপত্র যাচাই করার প্রক্রিয়া।

কিভাবে বাঁচানো যাবে চাকরি?
সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা রয়েছে সেই ১০ টি বিষয় সম্পর্কে। অর্থাৎ ২০১৪ সালের টেট পাশ করা শিক্ষক শিক্ষিকারা, যারা কর্মরত অবস্থায় রয়েছেন, মোট ১০ টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে।
১) নিয়োগপত্রের প্রতিলিপি
২) চাকরিতে যগদানের রিপোর্ট
৩) ২০১৪ সালে টেট পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড ৪) টেটে যোগ্যতা অর্জনের তথ্য

৫) প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশিক্ষনের শংসাপত্র
৬) সর্বস্তরের পরীক্ষার মার্কশীট, অ্যাডমিট কার্ড
৭) পার্শ্ব শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত প্যারাটিচার এনগেজমেন্ট লেটার
৮) জাতিগত শংসাপত্র(যদি থাকে)
৯) ২০১৪ সালের টেট সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য
১০) কোন কাজের অভিজ্ঞতা (যদি থাকে) সেটির শংসাপত্র

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের আইনজীবী লক্ষ্মী গুপ্ত মঙ্গলবার আদালতে বলেন, প্রায় ২৩ লক্ষ পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিলেন। ২৬৯ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠেছে। তিনি আরো বলেন, পর্ষদের ভুলত্রুটি হলে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হোক। তবে কলকাতা হাই কোর্ট এর তরফ থেকে সেই আর্জি মানা হয়নি। আজ আবার এই মামলা শোনা হবে।

আরও পড়ুনঃ হাইকোর্টের রায় মেনে, পশ্চিমবঙ্গের সরকারী কর্মীদের জন্য ডিএ ঘোষণা, কবে থেকে পাবেন?

এ সংক্রান্ত খবরের নতুন আপডেট সবার আগে পেতে হলে এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Written by Manika Basak

Leave a Reply

Your email address will not be published.