Primary TET Case

Primary TET Case: বড়খাস্ত শিক্ষকদের পাঠানো হয়নি লিখিত নোটিশ, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের আধিকারিকের কি বক্তব্য?

২০১৪ সালের প্রাইমারি টেট পরীক্ষার উপর ভিত্তি করে ২০১৭ সালে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ শিক্ষক নিয়োগ করে (Primary TET Case)। তবে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি অনিয়ম থাকায় কলকাতা হাইকোর্টে মামলা করা হয়।

সোমবার কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষককে চাকরি বরখাস্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাদের কোনও লিখিত নোটিস পাঠানো হয়নি।

আরও দেখুনঃ যা বেতন দিচ্ছেন, তাতে বাদাম খাওয়া যায়না, পশ্চিমবঙ্গে ডিএ না দেওয়ায়, অফিসারদের বেতন বন্ধ করে দিয়ে মন্তব্য হাইকোর্টের.

সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মতো বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকারা ১৫ জুন থেকে স্কুলে যেতে পারবেন না। সেইমতো মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ থেকে নামের ওই তালিকা রাজ্যের জেলাগুলিতে এসে পৌঁছেছে (Primary TET Case)। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরে ৩০ জন শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। কিন্তু ওই শিক্ষকদের বাড়িতে এখনও পর্যন্ত সেই নোটিস পাঠানো হয়নি, এমনটাই জানা গিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তারা এ বিষয়ে কি জানাচ্ছেন?
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান জানান, হাইকোর্ট এখনও পর্যন্ত বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক এবং শিক্ষিকাদের নামের তালিকা প্রকাশ্যে আনার নির্দেশ দেয়নি।

তিনি এও বলেন, সরকারি ভাবে বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নাম জানা না গেলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় যে নামের একটি তালিকা ঘুরছে, সেটির সাথে রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ থেকে পাঠানো তালিকার মিল রয়েছে (Primary TET Case)। এমনকি জানা গিয়েছে সেই জেলার একটি পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষের নামও রয়েছে।

বিরোধীদের কি মন্তব্য?
সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বিজেপি’র কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুদাম পণ্ডিত বলেন, ‘‘বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিজেপিতে যুক্ত হওয়ার পর পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের সংগঠনের কী হাল, তা ওরা বুঝে গিয়েছে হাড়েহাড়ে। শাসকদলের নেতা, মন্ত্রীদের ঘনিষ্ঠদের চাকরি দেওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলে পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল বলে কোনও দলই আর থাকবে না। তাই এত ।’’

যদিও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ সূত্রের খবর, হাইকোর্টের নির্দেশ পাওয়ার পর বেশ কিছুদিন ধরে শিক্ষা দফতর এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের অফিসে ওই জেলার ৩০ জন বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকার অ্যাডমিট কার্ডের রোল নম্বর, অন্যান্য যেসকল নথি জমা রয়েছে, সেগুলি সংগ্রহ করার কাজ চলেছে (Primary TET Case)। এরপর হাইকোর্টের নির্দেশ অনুসারে বরখাস্ত হওয়া শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বাড়িতে লিখিত নোটিস পাঠানো হবে।

আরও দেখুনঃ পরীক্ষায় উত্তীর্ন প্রার্থী তো দূরের কথা, চাকরি পেলো নাবালক! শিক্ষক নিয়োগে নয়া তথ্য BIG NEWS

এই সংক্রান্ত অন্যান্য খবরের আপডেট পেতে হলে এই ওয়েবসাইটটি ফলো করতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.