train fair

অতিমারী আবহে দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল লোকাল বা এক্সপ্রেস সমস্ত ট্রেন চলাচল (Train Fare)। সেসময় লকডাউন পরবর্তীকালে কিছু প্যাসেঞ্জার, মেল ও এক্সপ্রেস ট্রেনকে স্পেশাল ট্রেনের তকমা দিয়ে চালানো শুরু হয়েছিল। তবে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় বর্তমানে ট্রেন চলাচল ফের আগের মতোই স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছে। ফলে স্পেশাল ট্রেনের তকমা মুছে পূর্বের মতো সাধারণভাবে প্যাসেঞ্জার, মেল এবং এক্সপ্রেস ট্রেন চালাতে উদ্যোগী হয়েছে ভারতীয় রেল। এর জেরেই এবার একধাক্কায় প্রায় ১৭০০টি ট্রেনের ভাড়া কমতে পারে বলে সূত্রের খবর।

চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ছ’মাসে প্রায় ১১৮০.১৯ যাত্রীবহন করেছে ভারতীয় রেল। চলতি অর্থবর্ষে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভাড়া বাবদ ভারতীয় রেলের (Indian Railways) আয় ১৫,৪৩৪.১৮ কোটি টাকা। ২০১৯-২০ অর্থবর্ষে মোট ৪১৭৩.৫২ মিলিয়ান যাত্রীবহন করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। ভাড়া বাবদ আয় হয়েছে মোট ২৬,৬৪২.৭৩ কোটি। ভিড় এড়াতে প্ল্যাটফর্ম টিকিটের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। (Train Fare)

অতিমারী পরিস্থিতিতে যে স্পেশ্যাল ট্রেন পরিষেবা চালু হয়েছিল, তা এবার বদলে ফেলা হবে। ফলে যাত্রী ভাড়া কমবে (Train Fare)। সেক্ষেত্রে বর্তমান ভাড়া এক ধাক্কায় ১৫ শতাংশ কমে যেতে পারে। প্রায় ১৭০০টি ট্রেনের ভাড়াকমে যেতে পারে। ফলে উপকৃত হবেন অসংখ্য সাধারণ যাত্রী। রবিবার থেকে আগামী সাত দিনের জন্য রাতে ৬ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকবে ট্রেনের টিকিট সংরক্ষণ ব্যবস্থা। ১৪ ও ১৫ নভেম্বর মধ্যরাত থেকে পরিষেবা বন্ধ। চলবে ২০ ও ২১ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত।

রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর সাড়ে ৫টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে প্যাসেঞ্জার রিজার্ভেশন সিস্টেম (PRS)। ভারতীয় রেল সূত্রে খবর, যাত্রী পরিষেবা স্বাভাবিক করতে ও কোভিড পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরতে আগামী সাত দিন রাতে ৬ ঘণ্টার জন্য যাত্রী সংরক্ষণ ব্যবস্থা বন্ধ থাকবে। ওই সময়ে টিকিট কাটা যাবে না। পাশাপাশি ট্রেন ও সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে পারবেন না যাত্রীরা। করা যাবে না টিকিট বাতিলও। অনলাইন বা অফলাইনে টিকিট সংক্রান্ত কোনও পরিষেবাই দেবে না রেল। তবে ১৩৯ নম্বরে ফোন করে অনুসন্ধান কেন্দ্রে যোগাযোগ করতে পারবেন যাত্রীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.